গভীর হচ্ছে

যখন তাপ কমে যাবে, আমরা ততক্ষণে ভুলেই যাব

On sait depuis longtemps que ces canicules reviendront. Alors pourquoi ne sommes-nous jamais prêts ? Les scientifiques le répètent depuis des années : ces épisodes vont s'intensifier, s'accélérer. Pourtant, à chaque fois, la même surprise, les mêmes urgences. La réponse tient peut-être moins à la chaleur qu'à notre façon de décider.

সারা দেশ জুড়ে অসহনীয় গরম। কিছু অঞ্চলে লাল সতর্কতা জারি, এমন রাত যখন ঘুম আসে না, বয়স্ক মানুষেরা বিপদে পড়েছেন। প্রথম যে ভাবনা মাথায় আসে তা তাঁদের জন্য — আর যারা তাঁদের টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করছেন তাদের জন্য।

এরপর যা হয় তা আমরা জানি। কিছু দিনের মধ্যে তাপমাত্রা নামবে। আমরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলব। আর তারপর আর কেউ এ নিয়ে কথা বলবে না — পরের বার পর্যন্ত।

সমস্যাটা হয়তো এখানেই। কারণ আমরা জানি। বিজ্ঞানীরা বছরের পর বছর ধরে বলে আসছেন: এই দাবদাহ ফিরে আসবে, আরও তীব্র হয়ে, আরও আগে আগে। এটা কারও কাছে বিস্ময়ের কথা নয়। তবু প্রতিবার মনে হয় যেন সমস্যাটা নতুন করে আবিষ্কার করছি।

এর ব্যাখ্যা কী? কোনো বিষয় এত স্পষ্টভাবে জেনেও… কখনো প্রস্তুতি নেওয়া হয় না কেন?

উত্তরটা হয়তো গরমের চেয়ে আমাদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পদ্ধতির মধ্যে আছে। আমাদের নেতারা কয়েক বছরের জন্য নির্বাচিত হন। কিন্তু আগামীকালের জলবায়ুর জন্য প্রস্তুতি নেওয়া — আরও শীতল শহর, উপযুক্ত বাসস্থান, ছায়ার জন্য গাছ লাগানো — আজকে ব্যয়বহুল, আর এর ফল দেখা যাবে দশ বা বিশ বছর পরে। পরের নির্বাচনের অনেক পরে। ফলে সবকিছু পিছিয়ে দেওয়া হয়। সংকট এলে সামলানো হয়, কিন্তু আগে থেকে ভাবা হয় না। আর সংকট কেটে গেলেই ভুলে যাওয়া হয়।

এটা শুধু অনিচ্ছার প্রশ্ন নয়। আমাদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পদ্ধতিটাই দীর্ঘমেয়াদে ভাবতে পারে না।

সেজোক্রেসি তাপমাত্রা কমাবে না — কোনো ধারণাই পারে না। কিন্তু এটি একটি প্রশ্ন তোলে যা দাবদাহের সঙ্গে মিলিয়ে যায় না: যদি কোনো সমাজকে তার আগাম ভাবার সক্ষমতা দিয়ে বিচার করা হত — আগুন লাগার পর নেভানোর বদলে? যদি আমরা শেষমেশ শিখতাম আগামীকালের কথা মাথায় রেখে সিদ্ধান্ত নিতে?

গরম কমে যাবে। কিন্তু প্রশ্নটা রয়েই যায়।